Monday, February 28, 2022

তারা পাখীর নীড়ের মতো করে তিলে তিলে কুটির বেঁধেছে
তাদের ঘর এখন সমুদ্রের তটে; এখন প্রতিদিন তারা
সুর বাঁধে পরন্ত বেলায় । কিছু পাখী, কিছু জন পায়ে হাটা,
আর হাওয়া হাওয়া করে উড়ে বেড়ানো কেশ, এসব ছেড়েও
তাদের চোখ থাকে অমলিনের আয়নায়; পরন্ত সূর্যের লাল টুকটুকে
চোখ আরামের মত, তারা দেখে - এতো লাবন্য, এতো মায়া …...।
তারা এখন এতো মাছেভাতে নয়, মাঝে সাজে রান্না হয়, আর ছলে যা হয়
কুটির-কোণ থেকে কান পাতলে খিল খিল শোনা যায়-

শালি; অন্যমুখে - ইস লজ্জা ছাড়া......

তারা সন্ধ্যাকে দুহাত ভরে আমন্ত্রণ করে; প্রদীপ জ্বলে ওঠে ঘরে ,
একজন কিছু একটা বই পড়ে, অন্যজন থাকে গল্পের ছলে; অতঃপর
মধ্য রাতে ঘুম নেই, খোলাকাশে তারার সাথে গল্প জমে।

এভাবেই ঘুমে অঘুমে সকাল হয় ,শুরু হয় এবার নতুন দিনের থালা খোঁজা - হিরন্ময়--
থালাতে চোখ দু জোড়া পাতা; নতুন দিনে আবার তারা মুখশ্রী আয়না খোঁজে ;
বুকে আচর কেটে কেটে দিনের কোণে আবার আনে রাত ;

তখন আকাশবাণীও কি চিরন্তন ঝরে-

এ কেমন বিঁধিল প্রেম, নয়নে নয়ন ঝরে, নিশিতে নিশিথ মেলে
মন- মৃগয়া ফেরে ঘরে, তবুও হয়না খেলা সাড়া ।।

Sunday, January 9, 2022

বিহঙ্গরা ডাক দেয়। ভোর হয়ে আসে।
প্রস্থান। সন্যাসি বেরিয়ে পড়ে রাস্তায়। 
খেয়ালের গান। ভেসে আসে অন্য পাড়ে......

শূন্য ঘর থেকে যায়। অধরা আশা, নিরবাসনায়...
প্রিয়মুখ। বিদায় যাত্রা কেমন যে বাজে ।
গভীর বনের ভিতর। যেমন করে বেলা যায়।
যেমন করে জ্যোৎস্নারা সারারাত কাঁদে । 

বিহঙ্গরা ডাক দেয়। ভোর হয়ে আসে......

Saturday, May 30, 2020

১)তোমার নাম কেউ কোনদিন ডাকেনি -
 তুমি জন্মেছ, ঠিক পরেই 
 ঝর এসে তোমাকে 
 মৃত্যুর কাছে টেনে এনেছে 
 -তুমি মৃত্যুতে অবশেষে পেয়েছ তোমার জন্মদাগ।

২)তুমি হেরে যেতে যেতে ঠিক জিতে যাও -
দ্বিধাহীনভাবে নিজেকে ভেঙ্গে  টুকরো করে 
অপরকে চিনিয়ে  রাখো 
যেন যুদ্ধটা কেবলি তোমার 
-তুমি ক্রমেই গাছ হয়ে উঠ। 

৩) তোমার মাটির ঘর, মাটির শরীরে ভাঙ্গন ধরেনা -
সমগ্র দ্বীপ কুঁড়িয়ে কুঁড়িয়ে
অশরীরী পিণ্ড মুখে তুলে নিলে
তোমার নরম বুক বিঁধে শক্ত হয়ে উঠে

- তোমার চোখের কাছে এসে ঝর থেমে যায়।

Monday, May 18, 2020

আজ এক পশলা বৃষ্টি আসলে ভালো হয়।
কে যেনও দরজায় কড়া নাড়ে, আহা আর কতো
সানাইএর সুরে ভেসে গেছে চৌমাথা...

কোন দিন শুনেছ পিচ রাস্তায় নখের থাবা…?
আমরন ধর্মঘট মিলেমিশেও বাঁচাতে পারে না ভাঙা থালা
পাথরের সাথে বিকিয়ে দিয়েছে যা শেষ সম্বল -ওইতো ফুটো আনা ।

যার মুখ আগুনের মত পুড়েছে, তবু গান ধরেছে মুখে
তাকে শান দিতে ভালো লাগে……
আর্তনাদ! এক ট্রাক লোহা এনে, পিটিয়ে পাঁচিল করে দেয়।

ওরা সংসার পাতে ভাঙা রাস্তায়, যা কিছু ভেঙ্গে যায়
শুধু সংসার ছাড়া । পুতুলের বিয়ে দেয়…।
বারুদের ছাই লেগে থাকে সাড়া গায়।

কে যেনও দরজায় কড়া নাড়ে, আহা আর কতো
সানাইএর সুরে ভেসে গেছে চৌমাথা...


আজ এক পশলা বৃষ্টি আসলে ভালো হয়।

Tuesday, May 12, 2020

কিছু গান কোনদিনই গাইতে নেই। 
সীমান্ত ছাড়িয়ে তুমি ওপার দেখেছ
কিন্তু সীমান্ত পেরোতে পারোনি। 
পাখিদেরও ভুল হয়, ওরা তবু গান ছাড়ে না
মায়া রেখে যায় প্রতিদিন তোমার ব্যাল্কনিতে  
তুমি তাকে রাখতে জান না ।

আমার যা নেই ওদের দেখে সুখ পাই
এইতো সহজ পদ, সহজ সুন্দর ।
কিছু গান কোনদিনই গাইতে নেই

অনুভবে থেকে যেতে হয় ।


হলদে মাখা কথাটা, একটু সহজ করে বল 
অতিদূর-  কেউ নিরবে, কেউ জনমানব।
কখনো ঘুমের ঘোরে কতটুকু বিস্মৃতি ঘটলে
আজ এতও সুস্থ্য থাকা যায়।

দিগন্তের দিকে একবার সূর্যের মায়ায় হাত বুলই
আমার  খেয়াল পরে- হটাত চোখের কোনে জল। 
যদি মেঘ হতে নীলিমার নীল ঘনিয়ে আসতে জানে
তার চোখের রঙে -
সারাদিন সমস্ত উপদ্বীপ একলা আমার-

আগুনের রঙে এতো আলো
পাষাণের মতো পুড়ে যেতে ইচ্ছে হয়।

২৮/১১/২০১৬

হলদে মাখা কথাটা, একটু সহজ করে বল 
অতিদূর-  কেউ নিরবে, কেউ জনমানব।
কখনো ঘুমের ঘোরে কতটুকু বিস্মৃতি ঘটলে
আজ এতও সুস্থ্য থাকা যায়।

দিগন্তের দিকে একবার সূর্যের মায়ায় হাত বুলই
আমার  খেয়াল পরে- হটাত চোখের কোনে জল। 
যদি মেঘ হতে নীলিমার নীল ঘনিয়ে আসতে জানে
তার চোখের রঙে -
সারাদিন সমস্ত উপদ্বীপ একলা আমার-

আগুনের রঙে এতো আলো
পাষাণের মতো পুড়ে যেতে ইচ্ছে হয়।

২৮/১১/২০১৬