মেঠো পথ ছুয়ে গেলো নিটোল পায়ের ছাপ
গোধূলি ফিরে যায় শয্যায় পাখিদের গানে।
চোখের গভীরে যার থেকে গেছে অভাব
সে জানে। সীমান্ত ছাড়িয়ে চেয়ে থাকার মানে।
পথের ব্যবধানে কারা যেনও রেখে যায় মাপ
মেঘেরা একবেলা ছুটি চায়। দূরে কতো আলো।
ব্যথা-মোড়া ছেড়া গল্পেরা বসে জুড়ে অনুরাগ
‘আমি’ নাহয় ‘জলসাঘরে কালো’।’তুমি’ বরাবরই ভালো।
হাতের পরাগ লিপিমালা খসে পড়ে জলাশয়ে
ছন্নছাড়া দলেদলে আকাশে বেজে ওঠে বাণী।
যাকে রেখে যাবে বলে কথা ওঠে মাঝপথে
তার মুখখানি শীতলদীঘি। শুধু ঠোঁট অভিধানী।
মন্দা প্রান পায় থান। কোমল পাথরের বুকে
ঝোড়ো হাওয়ায় দুঃখ ভোলে। ফিকে ফুলের রেণু ।
তারা হাজার বছর গান বেঁচেছে। তবু ভালবেসে
যেখানে সুর অ-সুরে লয় সেখানে বাজেনা বেণু ।
পতঙ্গ-বুক উঠে ফেঁপে। দাবানলে সমীরণ
চাতক শরীর বন্ধকীনি। বৃষ্টি আসে আষাঢ়ে।
অসুখি পাড়ায় সুখ বুনেছে। জ্বর করেছে একদিন
স্বপ্ন ভেঙ্গে দিলে জমেনা ঋণ। স্বপ্ন- কারিগরে।
মরুদ্যানে সাজে খেলাঘর। দ্বীপ জ্বালে দ্বারে
জোনাকি-প্রবাসী-যামিনী-যাপন। তারারাও একা।
যার অলিন্দ অনাবাদী। পাপড়ি ফোঁড়ে সঙ্গোপনে
বুক খুঁড়ে বসে থাকে। কোথায় যেনো..টানে যবনিকা।।