Saturday, May 30, 2020

১)তোমার নাম কেউ কোনদিন ডাকেনি -
 তুমি জন্মেছ, ঠিক পরেই 
 ঝর এসে তোমাকে 
 মৃত্যুর কাছে টেনে এনেছে 
 -তুমি মৃত্যুতে অবশেষে পেয়েছ তোমার জন্মদাগ।

২)তুমি হেরে যেতে যেতে ঠিক জিতে যাও -
দ্বিধাহীনভাবে নিজেকে ভেঙ্গে  টুকরো করে 
অপরকে চিনিয়ে  রাখো 
যেন যুদ্ধটা কেবলি তোমার 
-তুমি ক্রমেই গাছ হয়ে উঠ। 

৩) তোমার মাটির ঘর, মাটির শরীরে ভাঙ্গন ধরেনা -
সমগ্র দ্বীপ কুঁড়িয়ে কুঁড়িয়ে
অশরীরী পিণ্ড মুখে তুলে নিলে
তোমার নরম বুক বিঁধে শক্ত হয়ে উঠে

- তোমার চোখের কাছে এসে ঝর থেমে যায়।

Monday, May 18, 2020

আজ এক পশলা বৃষ্টি আসলে ভালো হয়।
কে যেনও দরজায় কড়া নাড়ে, আহা আর কতো
সানাইএর সুরে ভেসে গেছে চৌমাথা...

কোন দিন শুনেছ পিচ রাস্তায় নখের থাবা…?
আমরন ধর্মঘট মিলেমিশেও বাঁচাতে পারে না ভাঙা থালা
পাথরের সাথে বিকিয়ে দিয়েছে যা শেষ সম্বল -ওইতো ফুটো আনা ।

যার মুখ আগুনের মত পুড়েছে, তবু গান ধরেছে মুখে
তাকে শান দিতে ভালো লাগে……
আর্তনাদ! এক ট্রাক লোহা এনে, পিটিয়ে পাঁচিল করে দেয়।

ওরা সংসার পাতে ভাঙা রাস্তায়, যা কিছু ভেঙ্গে যায়
শুধু সংসার ছাড়া । পুতুলের বিয়ে দেয়…।
বারুদের ছাই লেগে থাকে সাড়া গায়।

কে যেনও দরজায় কড়া নাড়ে, আহা আর কতো
সানাইএর সুরে ভেসে গেছে চৌমাথা...


আজ এক পশলা বৃষ্টি আসলে ভালো হয়।

Tuesday, May 12, 2020

কিছু গান কোনদিনই গাইতে নেই। 
সীমান্ত ছাড়িয়ে তুমি ওপার দেখেছ
কিন্তু সীমান্ত পেরোতে পারোনি। 
পাখিদেরও ভুল হয়, ওরা তবু গান ছাড়ে না
মায়া রেখে যায় প্রতিদিন তোমার ব্যাল্কনিতে  
তুমি তাকে রাখতে জান না ।

আমার যা নেই ওদের দেখে সুখ পাই
এইতো সহজ পদ, সহজ সুন্দর ।
কিছু গান কোনদিনই গাইতে নেই

অনুভবে থেকে যেতে হয় ।


হলদে মাখা কথাটা, একটু সহজ করে বল 
অতিদূর-  কেউ নিরবে, কেউ জনমানব।
কখনো ঘুমের ঘোরে কতটুকু বিস্মৃতি ঘটলে
আজ এতও সুস্থ্য থাকা যায়।

দিগন্তের দিকে একবার সূর্যের মায়ায় হাত বুলই
আমার  খেয়াল পরে- হটাত চোখের কোনে জল। 
যদি মেঘ হতে নীলিমার নীল ঘনিয়ে আসতে জানে
তার চোখের রঙে -
সারাদিন সমস্ত উপদ্বীপ একলা আমার-

আগুনের রঙে এতো আলো
পাষাণের মতো পুড়ে যেতে ইচ্ছে হয়।

২৮/১১/২০১৬

হলদে মাখা কথাটা, একটু সহজ করে বল 
অতিদূর-  কেউ নিরবে, কেউ জনমানব।
কখনো ঘুমের ঘোরে কতটুকু বিস্মৃতি ঘটলে
আজ এতও সুস্থ্য থাকা যায়।

দিগন্তের দিকে একবার সূর্যের মায়ায় হাত বুলই
আমার  খেয়াল পরে- হটাত চোখের কোনে জল। 
যদি মেঘ হতে নীলিমার নীল ঘনিয়ে আসতে জানে
তার চোখের রঙে -
সারাদিন সমস্ত উপদ্বীপ একলা আমার-

আগুনের রঙে এতো আলো
পাষাণের মতো পুড়ে যেতে ইচ্ছে হয়।

২৮/১১/২০১৬

Sunday, May 10, 2020

যারে খুঁজি দিবা-রাতি, চেয়ে কাল সিন্ধু পানে
সে যে সুনয়না, শীতল প্রান সুবাস-চন্দনে।

সে সারাবেলা করে খেলা, অকপটে গায় গান,
জানেনাকো সে হৃদয় দোলায় দুলিছে কার প্রান।
আজি তার চোখে না পাওয়া, ঝরে যাওয়া হাসি 
কি গহন সুরে ধরিয়েছে আমায়  বিরহ গান ।।

সে যদি আসিবে কভু ভোরের মুকুল হয়ে
কেন বিরহ-দলে রেখেছ মোরে, অজানার করে।
যদি কভু ঝড়ে, ঝরে যায় ফুল, শুকনো প্রান
শোকে তখন নিরুপায়ে জড়াবে মাটি ‘পরে ।।

তখন সকল চাওয়া, সকল পাওয়া, পড়ে রইবে ভুলে
কেঁদে কেঁদে নীরব- প্রেম,জাগিবে সুখ-তারারই কূলে ।।


২৮/৬/২০১৬

Friday, May 8, 2020

সে আমার ঘর হাজার বছরের
কতদূর কত পথ ক্লান্ত হয়ে আসি 
পাখিদের গান শোনা হয়নি কতদিন
একদণ্ড শুধু পৌঁছতে চাই ।


দেখি পাহাড়েরা সারে সারে জেগে ওঠে
তবু আকাশ বড় একা
মেঘেরাও কোনদিন তার ভাগ দিতে শেখেনি
বৃষ্টির মত করে ঝরে যেতে  চায়
ঠিক যেমন করে চোখের আলিঙ্গনেও
চোখের আশ মেটে না
ঝরে পরে পথ থেকে পথে
পাহাড় ছাড়িয়েও  নদীর সিমানায়


এমন ও করে চেয়ে থাকা যায়!


দিনের পরে রাত বয়ে যায়
পাহাড় নদী  ছাড়িয়ে মৃত্যুপুরিও পাড় হয়ে আসি
থেকে যায় ছাই মাখা হাত
প্রতিদন ভালবেসে যারা ব্যঙ্গ করে
আমি অন্ধকারে বারে বারে পথ ভুলে যাই


এরপরেও জানি এ ক্লান্তি ক্লান্তিতো নয়
কতটুকু পুড়ে গেলে কতটুকু
হিসেবে যে ঘর বেধে রাখে
সে ঘর ষোলোআনা
সেখানে কোনদিন ফিরানো যায় না
শুধু পৌঁছতে হয়


 কতদূর কত পথ ক্লান্ত হয়ে আসি 
পাখিদের গান শোনা হয়নি কতদিন
একদণ্ড শুধু পৌঁছতে চাই ।


সে আমার ঘর হাজার বছরের
…………………………………...।।

----------মানবেন্দ্রনাথ

৮/৫/২০২০